16th Jul 2008
গুয়ান্তানামোর জেরার ভিডিও প্রকাশ, চরম চাঞ্চল্য বিশ্বজুড়ে
কিউবার গুয়ান্তানামোতে মার্কিন কারাগারে কী ধরণের জেরা বা অত্যাচার চালানো হয় বন্দীদের ওপর তার কিছুটা ধারণা মিলল এতদিনে৷ গুয়ান্তানামোয় বন্দী এক কানাডার নাগরিক কিশোর ওমর খদরকে জেরার দৃশ্যের ভিডিও ফুটেজ গতকাল আদালতে হাজির করেন ওমরের আইনজীবি এডনি৷ দশ মিনিটের ওই ক্লিপে দেখা যাচ্ছে ২০০৩ সালে কানাডিয় গোয়েন্দারা ওমরকে জেরা করছেন৷ ভিডিওয় কোনো শারীরিক অত্যাচারের দৃশ্য না দেখা গেলেও পুরো সময়টা জুড়ে কিশোর ওমরকে কাঁদতে দেখা যাচ্ছে৷ সে চিকিৎসার অভাবের অভিযোগ করছে বারবার৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ গুয়ান্তানামোর বন্দীদের প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে গতরাতে বলেন গুয়ান্তানমোয় আটকদের বিষয়ে আমরা এখনও বিচার বিশ্লেষণ চালাচ্ছি৷ তাদের ওপর অন্যায় করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখছি৷ বিষয়টি যথেষ্ট জটিল৷ এই নিয়ে কংগ্রেসেও আলোচনা চলছে৷ বন্দীদের বিচার পাওয়ার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন৷ তবে, ওমর খদরের ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেট মারফত্ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে৷ গুয়ান্তানামোর কোনো বন্দীর জেরার দৃশ্য এই প্রথম দেখল গোটা বিশ্ব৷
কিউবার গুয়ান্তানামোতে মার্কিন কারাগারে কী ধরণের জেরা বা অত্যাচার চালানো হয় বন্দীদের ওপর তার কিছুটা ধারণা মিলল এতদিনে৷ গুয়ান্তানামোয় বন্দী এক কানাডার নাগরিক কিশোর ওমর খদরকে জেরার দৃশ্যের ভিডিও ফুটেজ গতকাল আদালতে হাজির করেন ওমরের আইনজীবি এডনি৷ দশ মিনিটের ওই ক্লিপে দেখা যাচ্ছে ২০০৩ সালে কানাডিয় গোয়েন্দারা ওমরকে জেরা করছেন৷ ভিডিওয় কোনো শারীরিক অত্যাচারের দৃশ্য না দেখা গেলেও পুরো সময়টা জুড়ে কিশোর ওমরকে কাঁদতে দেখা যাচ্ছে৷ সে চিকিৎসার অভাবের অভিযোগ করছে বারবার৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ গুয়ান্তানামোর বন্দীদের প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে গতরাতে বলেন গুয়ান্তানমোয় আটকদের বিষয়ে আমরা এখনও বিচার বিশ্লেষণ চালাচ্ছি৷ তাদের ওপর অন্যায় করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখছি৷ বিষয়টি যথেষ্ট জটিল৷ এই নিয়ে কংগ্রেসেও আলোচনা চলছে৷ বন্দীদের বিচার পাওয়ার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন৷ তবে, ওমর খদরের ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেট মারফত্ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে৷ গুয়ান্তানামোর কোনো বন্দীর জেরার দৃশ্য এই প্রথম দেখল গোটা বিশ্ব৷
Posted in আমেরিকা | No Comments »
সোমালিয়ায় ইউনিয়ন অব ইসলামিক কোর্টস এবং আল শাহাব দলের অনুগত সেনাদের পেতে রাখা মাইনের আঘাতে অন্ততঃ ১৩৫ জন সোমালীয় সরকারী সেনা নিহত ও প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছে । ইথিওপিয়ায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সোমালিয়ার সরকারী সেনাদের চারটি কনভয় ইথিওপিয়া ত্যাগ করে সোমালিয়ায় ঢোকার পর বাইদোয়া অঞ্চল থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে বার্দালে শহরের কাছে ইসলামপন্থী গেরিলাদের হামলার শিকার হয় বলে ইরানের প্রেস টিভির সংবাদদাতা জানিয়েছেন । বার্দালায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ৩২ জন বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয় । সোমালিয়ার ইউনিয়ন অব ইসলামিক কোর্টস সেদেশ থেকে ইথিওপীয় সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হামলা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে ।
লাখ লাখ ফুলের পাপড়ি শত পুষ্প স্তবকে সিক্ত হয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী যখন অযুত নিযুত অনুরাগীর মাঝে ফিরে এলেন তখন তার জীবন থেকে কেটে গেছে ৫৮ দিন। ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা গ্যাটকো মামলায় জামিন পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার স্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে মাওলানা নিজামী বন্দি জীবন থেকে মুক্ত হাওয়ায় ফিরে এলেন। গত ১৮ মে রোববার রাতে মগবাজারের বাসা থেকে যখন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছিল তখন মাওলানা নিজামী জাতির উদ্দেশে বলেছিলেন, “আমি নির্দোষ, আমি মজলুম, সত্যের বিজয় একদিন হবেই”এই কথাটিই গতকাল তার মুক্তির পর কঠিন সত্যতে পরিণত হলো। নেতাকর্মী সমর্থক আর লাখো অনুরাগীর মাঝে মাওলানা নিজামী ফিরে এলেন বিজয়ীর বেশে। এ সময় জনতার শ্লোগান ছিল- “জায়াল হাক্ক”। উচ্চ আদালতের মাধ্যমে তিনি মামলা থেকে জামিন পেয়ে পিজি হাসপাতালের ভিআইপি কেবিন থেকে মুক্ত হয়ে বাসায় ফেরেন অযুত নিযুত ভক্ত অনুরাগীর সমন্বয়ে। এর আগে কারা কর্মকর্তারা তার জামিনের আদেশনামাটি হাতে পান।
দক্ষিণ সুদানের দারফুরকে কেন্দ্র করে চলছে ইহুদী চক্রান্ত। গত মাসে তেলআবীবে দক্ষিণ সুদানের বিদ্রোহীদেরকে উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়। পূর্ণ আতিথেয়তা প্রদর্শনের সাথে সাথে দারফুরের শরণার্থীদের জন্য সাহায্যেরও ঘোষণা দেয়া হয়। তাছাড়া তেলআবিবের বিদ্রোহীদের অফিস খোলার বিষয়টিও প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। সুদান আজাদী আন্দোলন নামক সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আব্দুল ওয়াহেদ নূর। এসব তৎপতায় এটা স্পষ্ট সুদানকে যুদ্ধ বিধ্বস্ত এলাকা বানাতে ইহুদীরা খুবই সক্রিয়। সুদানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার জন্যও ইহুদী লবী সচেষ্ট। এ জন্য বিদ্রোহী সংগঠনগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে। সুদানের জন্য এটা নতুন নয়। অতীতেও ইসরাইল এ কাজ করেছে। পার্থক্য ইসরাইল বর্তমানে প্রকাশ্যে ময়দানে নেমেছে। এবার পশ্চিম সুদানের বিদ্রোহীদের প্রকাশ্যে সমর্থনই দেয়া হচ্ছে না বরং ইহুদী ভ্রাতৃত্বের কথাও বলা হচ্ছে জোরেশোরে।