27th Jul 2008
সউদি আরবে গুয়ান্টানামো বন্দি-শিবিরের অনুরূপ কারা-নির্মাণ
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি সংবাদ মধ্যম সম্প্রতি ফাঁস করে দিয়েছে যে, সউদি আরব নিজ ভূমিতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের যোগ-সাজশে অত্যাধুনিক কয়েকটি কারাগার নির্মাণ করতে চাচ্ছে এবং এই কারাগারগুলো গুয়ান্টানামা বন্দি-শিবির এবং ইউরোপে সিআইয়ের আটক কেন্দ্রগুলোর বিকল্প হয়ে উঠবে। খবরটি এমন এক সময় ফাঁস হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র গুয়ান্টানামো বন্দিশিবির এবং ইউরোপের মাটিতে বন্দি কেলেংকারীর কারণে বিব্রত। একই সাথে ওয়াশিংটন এ ব্যাপারে বিশ্বের জনমত ও মানবাধিকার গোষ্ঠিগুলোর কঠোর সমালোচনার তোপের মুখে রয়েছে। সউদি আরবের মাটিতে অত্যাধুনিক কারাগার নির্মাণ করে গুয়ান্টানামো নির্যাতন শিবিরের কেলেংকারীর বোঝা যুক্তরাষ্ট্র নিজের কাঁধ থেকে নামাতে চাইছে। অন্যদিকে সউদি আরব এ সব বন্দি ও নির্যাতন শিবির নির্মাণের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরো কিছু সুযোগ সুবিধা হস্তগত করে নিতে চাইছে। এ সব কারাগার হবে অত্যাধুনিক এবং বন্দিধারণ ক্ষমতা হবে ১৮ হাজারের বেশি। এ সব কারাগার সউদি আরবের দাম্মাম, কাসিম, হায়ার এবং পবিত্র মক্কা নগরীতে হওয়ার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিগত কয়েক বছর ধরে জনমত, ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের বিষয় নিয়ে বড়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ছে। ওয়াশিংটন মনে করছে, সউদি আরবে কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা সফল হলে এ বাবদ যুক্তরাষ্ট্রের বিব্রত হওয়ার মতো পরিস্থিতির অবসান ঘটবে। কি ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিব্রত হওয়ার মতো পরিস্থিতির ইতি ঘটতে পারে সে দিকে আলোকপাত করতে যেয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর শ্যেন চুক্ষকে ফাঁকি দেয়ার মতো অবস্থানে এ সব কারাগার নির্মিত হবে এবং হতভাগ্য বন্দিদের সঠিক পরিস্থিতির কথা কেউ কোনো দিন জানতে পারবে না। কিউবার গুয়ান্টানামো বে ২০০২ সালে গুয়ান্টানামো কারাগার নির্মাণ করা হয়। ১৯০৩ সালে কিউবার তৎকালীন সরকারের সাথে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী ভাবে এই এলাকা তার নৌবাহিনীর জন্য কিউবার কাছ থেকে ভাড়া নেয়। যদিও কিউবার বর্তমান সরকার ওই চুক্তিকে বৈধ মনে করে না। গুয়ান্টানামো বন্দি শিবিরটি নিয়ন্ত্রণ করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যারা মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানার মতো অপরাধ করছে বা কথিত মার্কিন বিরোধী সন্ত্রাসের সাথে জড়িত রয়েছে মূলত তাদের আটক রাখার জন্য এই কারাগার নির্মাণ করা হয়। মার্কিন ভূ-খন্ডের বাইরে হওয়ার কারণে গুয়ান্টানামো কারাগারের বন্দিরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইনী সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। এমন কি আদালতে হাজির না করেই তাদের বিচার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে কুখ্যাত গুয়ান্টানামো কারাগারে ২৭০জনের বেশি বন্দি রয়েছে। ছয় বছর আগে এই কারাগারে মানসিক এবং দৈহিক অকথ্য নির্যাতনের ধকল সহ্য করতে না পেরে বেশ কয়েকজন হতভাগ্য বন্দি আত্মহত্যার মতো চুড়ান্ত পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী ঘটনার সাথে বেশ কয়েকজন সউদি নাগরিক জড়িত থাকার ব্যাপার নিয়ে ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে গভীর টানাপড়েনের সৃষ্টি হয়েছিলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গুয়ান্টানামো কারাগারের বিকল্প হতে পারে এমন বন্দিশিবির তৈরি করতে সম্মত হওয়ার মাধ্যমে সউদি আরব ওয়াশিংটনের সন্তোষ লাভের চেষ্টা করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি সংবাদ মধ্যম সম্প্রতি ফাঁস করে দিয়েছে যে, সউদি আরব নিজ ভূমিতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের যোগ-সাজশে অত্যাধুনিক কয়েকটি কারাগার নির্মাণ করতে চাচ্ছে এবং এই কারাগারগুলো গুয়ান্টানামা বন্দি-শিবির এবং ইউরোপে সিআইয়ের আটক কেন্দ্রগুলোর বিকল্প হয়ে উঠবে। খবরটি এমন এক সময় ফাঁস হলো যখন যুক্তরাষ্ট্র গুয়ান্টানামো বন্দিশিবির এবং ইউরোপের মাটিতে বন্দি কেলেংকারীর কারণে বিব্রত। একই সাথে ওয়াশিংটন এ ব্যাপারে বিশ্বের জনমত ও মানবাধিকার গোষ্ঠিগুলোর কঠোর সমালোচনার তোপের মুখে রয়েছে। সউদি আরবের মাটিতে অত্যাধুনিক কারাগার নির্মাণ করে গুয়ান্টানামো নির্যাতন শিবিরের কেলেংকারীর বোঝা যুক্তরাষ্ট্র নিজের কাঁধ থেকে নামাতে চাইছে। অন্যদিকে সউদি আরব এ সব বন্দি ও নির্যাতন শিবির নির্মাণের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরো কিছু সুযোগ সুবিধা হস্তগত করে নিতে চাইছে। এ সব কারাগার হবে অত্যাধুনিক এবং বন্দিধারণ ক্ষমতা হবে ১৮ হাজারের বেশি। এ সব কারাগার সউদি আরবের দাম্মাম, কাসিম, হায়ার এবং পবিত্র মক্কা নগরীতে হওয়ার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বিগত কয়েক বছর ধরে জনমত, ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের বিষয় নিয়ে বড়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ছে। ওয়াশিংটন মনে করছে, সউদি আরবে কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা সফল হলে এ বাবদ যুক্তরাষ্ট্রের বিব্রত হওয়ার মতো পরিস্থিতির অবসান ঘটবে। কি ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিব্রত হওয়ার মতো পরিস্থিতির ইতি ঘটতে পারে সে দিকে আলোকপাত করতে যেয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর শ্যেন চুক্ষকে ফাঁকি দেয়ার মতো অবস্থানে এ সব কারাগার নির্মিত হবে এবং হতভাগ্য বন্দিদের সঠিক পরিস্থিতির কথা কেউ কোনো দিন জানতে পারবে না। কিউবার গুয়ান্টানামো বে ২০০২ সালে গুয়ান্টানামো কারাগার নির্মাণ করা হয়। ১৯০৩ সালে কিউবার তৎকালীন সরকারের সাথে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী ভাবে এই এলাকা তার নৌবাহিনীর জন্য কিউবার কাছ থেকে ভাড়া নেয়। যদিও কিউবার বর্তমান সরকার ওই চুক্তিকে বৈধ মনে করে না। গুয়ান্টানামো বন্দি শিবিরটি নিয়ন্ত্রণ করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর। যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যারা মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানার মতো অপরাধ করছে বা কথিত মার্কিন বিরোধী সন্ত্রাসের সাথে জড়িত রয়েছে মূলত তাদের আটক রাখার জন্য এই কারাগার নির্মাণ করা হয়। মার্কিন ভূ-খন্ডের বাইরে হওয়ার কারণে গুয়ান্টানামো কারাগারের বন্দিরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইনী সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। এমন কি আদালতে হাজির না করেই তাদের বিচার কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে কুখ্যাত গুয়ান্টানামো কারাগারে ২৭০জনের বেশি বন্দি রয়েছে। ছয় বছর আগে এই কারাগারে মানসিক এবং দৈহিক অকথ্য নির্যাতনের ধকল সহ্য করতে না পেরে বেশ কয়েকজন হতভাগ্য বন্দি আত্মহত্যার মতো চুড়ান্ত পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে। ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী ঘটনার সাথে বেশ কয়েকজন সউদি নাগরিক জড়িত থাকার ব্যাপার নিয়ে ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে গভীর টানাপড়েনের সৃষ্টি হয়েছিলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গুয়ান্টানামো কারাগারের বিকল্প হতে পারে এমন বন্দিশিবির তৈরি করতে সম্মত হওয়ার মাধ্যমে সউদি আরব ওয়াশিংটনের সন্তোষ লাভের চেষ্টা করছে।
Posted in আন্তর্জাতিক, মধ্যপ্রাচ্য | 1 Comment »

চিকিৎসার জন্য সাময়িক মুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন সে দেশের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিচার্ড বাউচার। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ১১টায় (বাংলাদেশে শনিবার) ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে এ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা ছাড়াও বাংলাদেশে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও হাসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
সার্ব বিদ্রোহী নেতা রাদোভান কারাদজিচ গ্রেফতার হওয়ায় বসনিয়ার নির্যাতিত মুসলমানরা সন্তুষ্ট হয়েছে। তাদের মনে এখন এ বিশ্বাস ফিরে আসছে যে, বিলম্বে হলেও মূল যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবে। কারাদজিচের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে সেগুলোর মধ্যে দুইটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। একটি হলো বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভো অবরোধ এবং আরেকটি হলো মুসলিম ছিটমহল সেব্রেনিচায় গণহত্যা।