30th Jul 2008
জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোকে শান্তি ও ন্যায়ের বৃহৎ মোর্চা গড়ে তুলতে হবে : আহমাদিনেজাদ
ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদ আহমাদিনেজাদ জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোকে শান্তি ও ন্যায়ের বৃহৎ মোর্চা গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন । তিনি আজ তেহরানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ১৫তম বৈঠকের উদ্বোধনী ভাষণে এই আহবান জানান। জনাব আহমাদিনেজাদ বলেন, ন্যামভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে শান্তি ও ন্যায়ের মোর্চা গঠন করা হলে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সংকট প্রতিহত করার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হবে । ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্বে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ন্যামের রয়েছে অগ্রবর্তী ভূমিকা পালনের ক্ষমতা । তিনি বলেন, ন্যামভুক্ত দেশগুলো বৃহৎ শক্তিবর্গের আগ্রাসন প্রতিহত করার এবং বৈষম্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তাদের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করতে পারে ।
ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. মাহমুদ আহমাদিনেজাদ জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোকে শান্তি ও ন্যায়ের বৃহৎ মোর্চা গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন । তিনি আজ তেহরানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ১৫তম বৈঠকের উদ্বোধনী ভাষণে এই আহবান জানান। জনাব আহমাদিনেজাদ বলেন, ন্যামভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে শান্তি ও ন্যায়ের মোর্চা গঠন করা হলে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সংকট প্রতিহত করার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হবে । ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, বিশ্বে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ন্যামের রয়েছে অগ্রবর্তী ভূমিকা পালনের ক্ষমতা । তিনি বলেন, ন্যামভুক্ত দেশগুলো বৃহৎ শক্তিবর্গের আগ্রাসন প্রতিহত করার এবং বৈষম্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তাদের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করতে পারে ।
Posted in আন্তর্জাতিক | No Comments »
আন্তঃধর্মীয় সংলাপ আয়োজনের কারণে সৌদি বাদশাহ আবদুল্লাহকে হত্যা করা উচিত বলে বিবৃতি দিয়েছে আল কায়েদা। খ্রিস্টান, ইহুদি ও অন্যান্য ধর্মের সঙ্গে একত্রে মুসলমানদের ওই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাদশাহ আবদুল্লাহ নিজেকে নাস্তিক নেতা প্রমাণ করেছেন বলে মনে করে আল কায়েদা। বিডিনিউজ।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে দেশের সংবিধান মেনে চলতে হবে। না হয় আরো বেশি বিপদে পড়তে হবে। এ সরকারের সাংবিধানিক মূল কাজ হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করার পাশাপাশি রুটিন কাজ করা। কিন্তু এই মূল দায়িত্বকে পাশ কাটিয়ে সরকার স্খানীয় নির্বাচন নিয়ে বেশি ব্যস্ত। এর ফলে সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে জনমনে সন্দেহ-সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
তুরস্কের বিচার ব্যবস্খা বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত নিয়ে গঠিত। এখানে বেসামরিক আদালতের পাশাপাশি সামরিক আদালত রয়েছে, যা কেবল সেনাসদস্যদের বিচার করে থাকে। বেসামরিক বা সিভিলিয়ন বিচার ব্যবস্খা নিম্ন আদালত বা জুডিসিয়াল কোর্ট, ক্রিমিনাল কোর্ট, স্টেট সিকিউরিটি কোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টের সমন্বয়ে গঠিত। এ ছাড়াও রয়েছে কোর্ট অব জুরিসডিকশনাল ডিসপুটস, যা বিভিন্ন আদালত, প্রশাসনিক অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সামরিক আদালতসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের এখতিয়ার বা কর্তৃত্বের সীমানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে তার মীমাংসা করে থাকে। হাইকোর্ট অব আপিলস, কাউন্সিল অব স্টেট সুপ্রিম মিলিটারী কোর্ট অব আপিলস ও মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কোর্ট অব আপিলসের বিচারকদের নিয়ে কোর্ট অব জুরিসডিকশনাল আপিলস গঠিত হয়। তবে তুরস্কের বিচার ব্যবস্খায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যে বিষয়টি সংযোজন করা হয়েছে, তা হলো কনস্টিটিউশনাল কোর্ট বা সাংবিধানিক আদালত প্রতিষ্ঠা। সংবিধানের মৌলিক নীতিমালার সাথে সাংঘর্ষিক কোনো আইন প্রণয়ন করা হলে তা বাতিল করাসহ ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী এই আদালত। মূলত পার্লামেন্টের ও সরকারের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রয়োগের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্খা হিসেবে এই আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়।