05th Dec 2008
মহাজোটে যুদ্ধাপরাধী প্রার্থী!
-জাপার চাপে বলি হলেন আওয়ামী লীগের ৩ এমপি।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে ধরে রাখতে সর্বোচ্চ ছাড় দিল আওয়ামী লীগ। এজন্য তারা গত নির্বাচনে জয়লাভ করা তিনটি আসনও ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এ সুযোগে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ঘোষিত যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা থাকা ব্যক্তিও জাপার প্রার্থী হিসেবে মহাজোটের প্রার্থী হয়েছে। এসব এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে তীব্র ড়্গোভ আর উত্তেজনা। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরে চলছে উলস্নাস।
এর আগে দুদলের মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতায় গত নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীর সংশিস্নষ্ট দলের মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল। এমনকি বিগত নির্বাচনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন- এমন আসনগুলোতে দ্বিতীয় স্থান পাওয়া দল প্রার্থী দেবে বলে সমঝোতাও হয়েছিল। কিন্তু এরশাদের জোট ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকিতে সবকিছু ওলট-পালট হয়ে যায়।
আওয়ামী লীগ বাধ্য হয় এসব আসনে জাপার প্রার্থীকে মহাজোটের প্রার্থী করতে। এমনকি এমন ২১টি আসন জাপাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে যেগুলোতে খুব কম ব্যবধানে চারদলের প্রার্থীর কাছে হেরেছিল আওয়ামী লীগ। অনেক জায়গায় জাপা প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল গতবার। কিন্তু এবার তারা মনোনয়ন পেয়েছেন।
গতবার জয়লাভের পরও এবার যেসব আসন আওয়ামী লীগ ছেড়ে দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছেঃ চট্টগ্রাম-৫ (রাউজান), নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) ও নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা)। আর সবাইকে অবাক করে পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া-তেলিখালী ইউনিয়ন) আসনে মনোনয়ন পেয়েছে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ঘোষিত তালিকাভুক্ত যুদ্ধাপরাধী আবদুল জব্বার।
মাস দুয়েক আগে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা ঘোষণা করেছিলেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব·) এ কে খন্দকার। সে অনুষ্ঠানে তিনি তালিকাভুক্তদের প্রার্থী করা হলে প্রতিহত করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনিও এবার মহাজোটের প্রার্থী হয়েছেন। তার নির্বাচনী এলাকা পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়ার একাংশ)। ওই তালিকায় ৪১ নাম্বারে নাম রয়েছে আবদুল জব্বারের।
গত রাতে এ কে খন্দকারের সঙ্গে তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্তô থাকাকালে যায়যায়দিনের পড়্গ থেকে মোবাইলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, এ বিষয়টি তারা জানা নেই। তাই কোনো মন্তôব্য করতে পারবেন না। তিনি সাবেক সেনাপ্রধান ও ফোরামের নেতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব·) হারম্নন অর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। অনেকবার মোবাইলে চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। আবদুল জব্বারের সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে অন্য একজন তার ফোন রিসিভ করে বলেন, একটু পর ফোন ব্যাক করা হচ্ছে। তবে কেউ আর ফোন ব্যাক করেনি।
পিরোজপুর-৩ আসনটিতে আওয়ামী লীগ গতবার ভোট পেয়েছিল ২৯ হাজার ৭৫৬। আর জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছিল মাত্র ৫ হাজার ৫১। তালিকা প্রকাশের আগেও এলাকাবাসীর মধ্যে আবদুল জব্বার একজন চিহ্নিত রাজাকার হিসেবে কুখ্যাত ছিলেন।………………
- মসিউর রহমান খান।
[...] পরন্তু যারা রাজাকার প্রার্থী দিয়ে, (বাংলানিউজ আর্কাইভ) এরশাদের মত ‘৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে যোগ [...]