03rd Jul 2009

আদালতের রায় দিয়ে বিশ্বাস করানো হচ্ছে শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষক

 অনামিকা
 আইন নিজস্ব গতিতে চলে। কিন্তু এখন বাংলাদেশে আইন চলছে আওয়ামী লীগের মতানুসারে। যদি তাই না হবে তবে হাইকোটেêর রায় দিয়ে জনগণকে কেন বিশ্বাস করাতে হচ্ছে যে শেখ মুজিবই স্বাধীনতার ঘোষক, জিয়াউর রহমান নন। জনগণ কখনোই বলেনি যে, স্বাধীনতার ঘোষক শেখ মুজিব অথবা জিয়াউর রহমান। ক্ষমতায় গেলেই আইন নিয়েও দালালি করতে হবে? তাহলে তো কোটê কাচারির দরকার নেই। আওয়ামী লীগ যেটা বলবে সেটাই আইন আর সেটাই সঠিক। আর সত্য বা মিথ্যা কথার বিরোধিতা বা প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে সেই লাল ঘরে যেতে হবে, রিমান্ডে যেতে হবে আরো কত রকমের শাস্তি পেতে হবে। যেমন মইন উ আর ফখরুদ্দীন সাহেবরা করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উপর তা অনেক পাঠকরা ক’দিন যাবত পত্রিকার পাতায় দেখছেন।
হঠাৎ করেই আওয়ামী লীগের মাথায় কেন এই কুবুদ্ধি ঢুকলো যে তারা হাইকোটেêর শরণাপন্ন হলেন। আর বিচারকই বা এমন কাজ করতে গেলেন কেন, এতে কি তার সম্মান এক ডিগ্রি বেশী এগিয়েছে। নাকি জিয়াউর রহমান সাহেব কবর থেকে উঠে এসে বিচারককে ভয় দেখিয়েছে। মানে জিয়াউর রহমান সাহেব কি বলেছেন যে, আমিই স্বাধীনতার ঘোষক খবরদার অন্য কেউ স্বাধীনতার ঘোষক নয়, এই ভয়েই তাড়াতাড়ি আইন করে স্বাধীনতার ঘোষক বানানো হলো কি শেখ মুজিবুরকে! কোন দেশে কি এরকম নজির আছে যে, স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে আইন আদালতে যাওয়া, হায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ! এরাই শুধু দেশ স্বাধীন করেছে, জনগণ কিছুই করেনি অন্য কোন দলও কিছু করেনি।
আওয়ামী লীগ কিভাবে ক্ষমতায় এসেছে সেই ২৯ ডিসেম্বর তা কি জনগণ জানে না। সেনাবাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছে আর বিচারকদের সহায়তায় শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক বানিয়েছে। এরা জনগণকে বিশ্বাস করে না। যদি বিশ্বাস থাকতো তাহলে বিচারকের রায় নিতে হবে কেন। জনগণই শত্ত্নির আধার। আর যখন স্বাধীনতাযুদ্ধে জনগণ একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তখন কি হাইকোটেêর বিচারকের রায়ের দরকার পড়েছিল? ইতিহাসের কাজও করবে হাইকোটê। বাণিজ্যমন্ত্রী যেমন সকল বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তেমনি কি আমাদের সবেêাচ্চ আদালতও সকল বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তাহলে আলাদা আলাদা বিষয়ে আলাদা ব্যবস্থা কেন, যেমন ইতিহাসবিদরা ইতিহাস সম্পকেê ভালো জানেন, শিক্ষক বা প্রভাষক বা শিক্ষাবিদরা তাদের বিষয়ে বিশেজ্ঞ, বিজ্ঞানীরা বিশেষ জ্ঞানের অধিকারী থাকেন। কিন্তু আমাদের দেশে দেখি এখন সব উল্টো। যে যা না সেইসব বিষয়েও বক বক করেই চলেছেন। এটাতো দেখা যায় সবêত্র দলীয় চাটুকারীতা ছাড়া আর কিছু নয়, যদি বলা যায় যে রাজনৈতিক দলের স্বাথেê আদালত ব্যবহূত হচ্ছে তা কি ভুল হবে। উচ্চ আদালত যদি প্রশ্নবিদ্ধ হয় তাহলে আমরা বিচার পাবো কোথায়। সেই কথাই থেকে যায় যে বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে।
হাইকোটেêর মাননীয় বিচারপতিরা যদি উচ্চাসনে বসে রাজনৈতিক ইসুøগুলোর উপর সিদ্ধান্ত দেয়া শুরু করেন এতে শুধু বিচারপতিরা বিতকিêত হন না সেই সাথে উচ্চ আদালতের একটি অঙ্গ হাইকোটêকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলেন। ডিজিটাল বিচার শুরু হয়েছে। আর বিচারপতিরাও রাতারাতি ডিজিটাল হয়ে গেছেন। এটা কি ধরনের আওয়ামী কৌশল, কথায় বলে না যে ‘আসলে ফসল নেই ঢেকি ঘরে চাঁদোয়া। জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী, বিদুøৎ সাশ্রয় হয়ে কত লাভ হবে তা জানা নেই আমার। আমি যে এলাকায় থাকি সেখানে বিদুøৎ পরিস্থিতি আগেও যেমন ছিল এখনো সেরকমই, আরো সমস্যা যে গ্যাসও থাকে আবার থাকেও না এমনকি অনেক সময় দেখি রাতেও গ্যাস থাকে না। এই হলো আমাদের কপাল। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পরিবার, তার বোনের পরিবার তাদের নিরাপত্তার জন্য নতুন আইন করা হচ্ছে, আমাদের বঙ্গবুও তো তার একান্ত পছন্দের রক্ষীবাহিনী গঠন করেছিলেন। কিন্তু যে দিন তাকে হত্যা করা হয় রক্ষীবাহিনীর ভূমিকা কি ছিল তা পাঠকরা অনেকেই জানেন। আসলে ‘রাখে আল্লাহ মারে কে আর মারে আল্লাহ রাখে কে।’ আল্লাহর চাইতে বড় নিরাপত্তা আর কে দিতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারে নিরাপত্তার জন্য যদি আইন করা হয় তবে খালেদা জিয়া কি দোষ করলো, তার নিরাপত্তার কি দরকার নেই। আসলে আওয়ামী লীগ সরকার আওয়ামী আইন তৈরি করতেই ব্যস্ত। বিচার বিভাগ স্বাধীন বলেই কি স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ গ্রহণ করবে। রাষ্ট্র বিচার বিভাগকে সবেêাচ্চ মযêাদা ও গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ অধিকার সংরক্ষণের রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি দিয়েছে। বিশেষ অধিকার বা ক্ষমতা আছে বলেই কোন বিচারপতি এর অপব্যবহার করলে রাষ্ট্রের বা বিশাল জনগোষ্ঠীর কিছু মতবিরোধের আশংকা থাকবেই। কোন উচ্চ আদালত অথবা কোন বিচার বিভাগই পক্ষপাতমূলক রায় বা বিচার করতে পারেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। হাইকোটê যে রায় দিয়েছে তার বিরুদ্ধে আবার সুপ্রীম কোটেê আপিল করার সুযোগ থাকে। যেমন সেক্টর কমান্ডার হামিদুল্লাহ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেছেন।
নয়াদিগন্ত পত্রিকায় ফরহাদ মজহার সাহেব লিখেছেন, একটি রিট আবেদন মামলায় মাননীয় বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ও বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমদ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোটê বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ গত ২১ জুন শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি রায় ঘোষণা করেন। সেই রায়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র পুনমুêদ্রণের বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য ২০০২ সালে গঠিত প্রত্যয়ন কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে সরকার চাইলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে বলে অভিমতও দেয়া হয়েছে। প্রফেসর এমাজউদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচাযê, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র পুনমুêদ্রণের বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য ২০০২ সালে গঠিত প্রত্যয়ন কমিটির তিনি একজন সদস্য। তিনি তার আত্মপক্ষ ব্যাখ্যা করে একটি বিবৃতি দেন। রিট আবেদনকারী এমএ সালাম এই বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রফেসর এমাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনেন। ফলে একই বেঞ্চ প্রফেসর এমাজ উদ্দিনের হাইকোটেê তলব করেছেন। তার অপরাধ তিনি স্বাধীনতার ঘোষক সংত্র্নান্ত রায়ের সমালোচনা করেছেন। আগামী ২ জুলাই তাকে ব্যত্ত্নিগতভাবে আদালতে হাজির হয়ে বলতে হবে কেন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না।
পত্রিকার খবর অনুযায়ী এমএ সালাম আদালতের কাছে নালিশ করেছেন, যারা রায়ের বিরুদ্ধে সমালোচনা করে আদালতকে কটাক্ষ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যদি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার হয়ে থাকে, তাহলে আদালতের ‘রায়’ সমালোচনার অধিকার তো জাতীয় সংসদ আইন করে বা আদালত কোন হুকুমনামা জারির মাধ্যমে হরণ করে নিতে পারেন না। নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করবার এখতিয়ার রাষ্ট্রের কোন অঙ্গেরই নেই। এ সম্পকেê বিভিন্ন পত্রিকার মতামতঃ ইংরেজী পত্রিকা দি ডেইলি স্টার তাদের ২৩ জুন তারিখের সম্পাদকীয়তে বলেছে, মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন, শেখ মুজিবুর রহমানই ১৯৭১ সালের মাচê মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন এটা ঐতিহাসিক রায়। তবে এটা যে এক ধরনের প্রহসন, সেটাও সম্পাদক সাহেব মানতে বাধ্য হয়েছেন। ডেইলি স্টারের আক্ষেপ হচ্ছে আমরাই দুনিয়ার সেই জাতি যারা ঐতিহাসিক ঘটনাঘটনের চিহ্নগুলো আদালতের রায়ের মাধ্যমে মীমাংসা করি। অথচ একবারও প্রশ্ন তোলেনি এভাবে ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক বিতকêকে রিট পিটিশনের মাধ্যমে বা পরিপ্রেক্ষিতে রায় দিয়ে মীমাংসা করার এখতিয়ার আদালতের আছে কিনা, যদি আসলে ঐতিহাসিক সত্য নিয়েই তকê তুলতে হয় তাহলে মাওলানা ভাসানীকে বাদ দিয়ে আমরা বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে কথা বলি কিভাবে। শেখ মুজিবের আগে অথêাৎ মাচেêরও আগে মাওলানা ভাসানীও স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাছাড়া বহু ছোটবড় দল এবং বামপন্থী ও ছাত্র সংগঠনগুলো শেখ মুজিবের ঘোষণার আগে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিল। আদালত কি সেটাও এখন মীমাংসা করবেন। স্বাধীনতা কারো একচেটিয়া কৃতিত্ব নয়। সকল জনগণের স্বতঃস্ফূতê আন্দোলনের মাধ্যমেই একটি দেশ স্বাধীন হয়। তাই এর দাবীদার কেউ একা হতে পারে না। কে ঘোষণা দিলেন আর কে দিলেন না এ নিয়ে ৩৮ বছর পর বিতকê কেন, এখানে মেজর জিয়াউর রহমানকেও খাটো করা যাবে না, তিনি একজন মুত্ত্নিযোদ্ধা এবং সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন। কিন্তু তখন শেখ মুজিব পাকিস্তানের জেলে ছিলেন। মুত্ত্নিযুদ্ধের জয় পরাজয় কোন ব্যত্ত্নির নিধêারণের বিষয় নয়। জয় পরাজয় নিধêারণের ভার ছিল এদেশের সংগ্রামী জনগণের ও জিয়াউর রহমানেরও মতো তরুণ মুত্ত্নিযোদ্ধাদের উপর। আর আদালতকে আমরা আজ রাজনৈতিক ইসুøর বিষয়ে রায় দেয়ার জন্য কোথায় নামিয়েছি। ডেইলি নিউএইজ তাদের সম্পাদকীয়তে বলেছে, এই ধরনের রায় আমাদের কুতকê করবার খাসিলত ও রাজনৈতিক বিভাজনকে আরো উস্কে দিবে। যেখানে ইতিহাস নিয়ে সমাজে তকêবিতকê আছে প্রমাণপত্রাদির ঘাটতি আছে, সেই ক্ষেত্রে আদালত ডিত্র্নি জারি করে যদি সেই ইতিহাস ছহি করবার চেষ্টা করেন তাহলে আদৌ সেটা কোন কাজে লাগে কিনা সন্দেহ। নিউএইজ পত্রিকা লিখেছে রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে সামাজিক তকêবিতকê মীমাংসার ক্ষেত্রে আদালতের নিদেêশ কোন কাজে আসে না।
ফরহাদ মজহার সাহেব আরো লিখেছেন, যদি আমরা এই সত্যটুকু বুঝি তাহলে আদালতের রায় দিয়ে, স্বাধীনতার ঘোষক বানানোর মধ্যে তাকে মহৎ নয় বরং তাকে অপমানই করা হলো। জাতির বড়ই দুভêাগ্য যে আদালতের রায় দিয়ে বা বিচারকের রায় দিয়ে আমাদের জানতে হচ্ছে যে স্বাধীনতার ঘোষক কে। বিশ্বের একমাত্র ব্যতিত্র্নম বাংলাদেশের মুত্ত্নিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাযুদ্ধ। বাংলাদেশের সংবিধানে শেখ মুজিব বা জিয়াউর রহমান কাউকেই জাতির পিতা বা স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে স্থান দেয়া হয়নি। শেখ মুজিবের আমলে দেশের প্রথম সংবিধান রচিত হয়। স্পশêকাতর রাজনৈতিক ইসুøগুলোর সমাধান হতে পারে প্রধান রাজনৈতিক দল ও শত্ত্নিগুলোর ঐক্যমতের মাধ্যমে। এসব প্রশ্নগুলোর সমাধান হবে পালêামেন্টে আর না হলে বিগত ৩৮ বছরের মত অমীমাংসিত থেকে যাক। আর হাইকোটê এখানে রায় দিয়ে দুটো মতবাদের একটিতে জড়িয়ে পড়বে আর এতে কোন সমাধান না হওয়ারই কথা অবশ্য মহামান্য আদালত ঐ রায়টির কাযêাকরিতা স্থগিত রেখেছে, আসলে সরকারী দল জাতিকে হরেক রকম বটিকা খাওয়ানোর চেষ্টা করে দেখছে কোন বটিকার কাযêকারিতা কেমন এবং জাতি সইতে পারে কিনা, এটা পরীক্ষামূলকভাবে চলছে। একবার যুদ্ধাপরাধ বিষয় আবার মইন উ আর ফখরুদ্দিন বাদে বাকি উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে তদন্ত, তারপর দশ ট্রাক অস্ত্রের বিষয়ে তদন্ত এখন আবার স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতকê। দেখা যাক কোনটাতে সরকার সফলতা পায়। তবে জাতির অনেক মৌলিক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা না করে এসব বিষয়ে জড়িয়ে পড়লে অহেতুক সময় নষ্ট হবে এবং জাতি সামনে না এগিয়ে পিছিয়ে যেতেই থাকবে। তাহলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া কঠিন হবে। বিচারকের রায়ের মাধ্যমে নয় নিরঙ্কুশ সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বাথেêই এর একটা চূড়ান্ত ফয়সালা হওয়া দরকার। তাই দেশ ও জাতির সামনে আজ স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন মুত্ত্নিযুদ্ধের সত্যিকার পটভূমি কি ছিল। কার কি অবদান ছিল মুত্ত্নিযুদ্ধে বিজয়ের পর কে কি ভূমিকা পালন করেছে। কে বা কারা দায়ী দেশ ও জাতির বতêমান শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার জন্য। কাউকে হেয় প্রতিপন্ন বা উপহাস করার জন্য নয়, কোন গোষ্ঠী স্বাথেê কাউকে ঘায়েল করার লক্ষ্যেও নয় শুধু নিরঙ্কুশ সত্যকে সত্য মিথ্যার বতêমান ঘূণêাবতê থেকে শুধু বাছাই করে বের করা এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সত্যটা জানতে দেয়া এটা জাতির একটা দায়িত্বও বটে। যারাই ক্ষমতায় আসেন মনে হয় সত্যকে মিথ্যা বলে চাপিয়ে দেয়া আর মিথ্যাকে সত্য বলে চাপিয়ে দেয়ার মত গুরু দায়িত্ব পালন করাই তাদের প্রধান কাজ। জাতির এহেন গুরুদায়িত্ব পালন করার চাইতে শুধু সততার দায়িত্ব পালন করলেই জাতি এই শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা থেকে মুত্ত্নি পাবে। আর বিচারক বা আদালত নিরপেক্ষ থেকে তার রায় প্রদান করলেও জনগণ স্বস্তি ফিরে পাবে এবং বলবে কে সেই বিচারক তার জন্য জিন্দাবাদ। আইনকে কোন দলের গতিতে চলতে না দিয়ে নিজস্ব গতিতে চলতে দিলে মনে হয় কোন বিতকেêর সুযোগ থাকবে না।

আপনার মন্তব্য দিন

You must be logged in to post a comment.